লাইভ ভিডিও
নিচের খবরের সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখতে এখনই বাটনে ক্লিক করুন!

Top News

প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলেন হাসনাত, দিলেন ৪...

 প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলেন হাসনাত, দিলেন ৪ প্রস্তাব

দেশের


চলমান বিদ্যুৎ সংকট ও লোডশেডিং পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংকট মোকাবিলায় সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর উদ্যোগের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি উন্নয়নে চার দফা প্রস্তাব দিয়েছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি ও লোডশেডিং নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তীব্র গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ভোগান্তি বেড়েছে ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পকারখানায়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারও একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে।

জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে দেওয়া বক্তব্যে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, রক্ষণাবেক্ষণজনিত কারণে উৎপাদনে পিছিয়ে থাকা কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র দ্রুত পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরলে বিদ্যুৎ ঘাটতি ও লোডশেডিং উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। তিনি জানান, এক পর্যায়ে চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং করতে হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে সরকার ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের নিয়ে ১০ সদস্যের কমিটি গঠনের বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে।

এরই মধ্যে হাসনাত আব্দুল্লাহ বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে কয়েকটি প্রস্তাব সামনে এনেছেন। তাঁর বক্তব্যে সংকটের তাৎক্ষণিক সমাধানের পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা উঠে আসে।

হাসনাতের দেওয়া প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার বাস্তব চিত্র প্রকাশ, অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ অপচয় বন্ধ করা, সংকটপূর্ণ এলাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া।

তিনি মনে করেন, শুধু সাময়িকভাবে লোডশেডিং কমিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। বিদ্যুৎ খাতের মূল সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থায় কার্যকর সংস্কার আনতে হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাও জরুরি।

বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমন্বিত ও সমাধানমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো দ্রুত সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুৎ সংকটের মতো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সমন্বয় তৈরি হলে তা সাধারণ মানুষের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে। তবে শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য বা চ্যালেঞ্জের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে সাধারণ মানুষের প্রধান প্রত্যাশা হলো—লোডশেডিং কমিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা। বিশেষ করে তীব্র গরমের সময়ে আবাসিক এলাকা, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে গঠিত হতে যাওয়া ১০ সদস্যের কমিটি এবং বিরোধী দলের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংকট কতটা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, এখন সেদিকেই নজর সাধারণ মানুষের।

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

15s

⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Post a Comment

Previous Post Next Post